টক দই এর উপকারিতা

ছবি
🌟 প্রধান উপকারিতা ১. হজম ও অন্ত্র স্বাস্থ্য উন্নতি টক দই-তে থাকা “লাইভ কালচার” বা জীবন্ত ব্যাকটেরিয়ার কারণে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়, গ্যাস, ফোলাভাব ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমে । ২. প্রোবায়োটিক সুবিধা এই ভালো ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রে ইতিবাচক ফ্লোরা বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । ৩. হাড় ও দাঁতের জন্য পুষ্টিকর দইতে প্রচুর কালসিয়াম , ভিটামিন D , ফসফরাস , পোটাশিয়াম থাকে, যা হাড়কে মজবুত করে ও অস্টিওপোরোসিস (হাড় দুর্বলতা) প্রতিরোধে কার্যকর । ৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক উচ্চ প্রোটিন দেহে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরার অনুভূতি দেয়, যার ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া কম হয় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ সহজ হয় । ৫. হৃদরোগ ঝুঁকি হ্রাস দই খেলে ভাল কোলেস্টেরল (HDL) বৃদ্ধি পায়, রক্তচাপ কমে—এই ঘরোয়া গুন হার্টের জন্য উপকারী । ৬. টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোধে সহায়ক দইয়ের নিয়মিত খাওয়ার ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমে । ৭. ত্বক ও চুলের যত্নে সহায়ক দই ঘরে মুখে, স্কিন মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বক ঝলমলে হয়, দানার উপশম পায়—যেহেতু এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ল্যাকটিক অম্ল । 🛠 ট্রিকস ও পরামর্শ: সুন্দর প্রকার ...

অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে যেসব প্রাকৃতিক উপাদান

অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে যেসব প্রাকৃতিক উপাদান
ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ দূর করতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রমণের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয় বা বন্ধ করে দেয়। ব্যাকটেরিয়া দিয়ে সংক্রমিত হলে চিকিৎসকরা আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক দেন। তবে কিছু প্রাকৃতিক উপাদানও রয়েছে, যেগুলো অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। এই ভেষজ উপাদানগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে এসব প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর কথা।
১. হলুদ
হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এগুলো ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধেও কাজ করে।
২. আদা
আদা বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা প্রতিরোধে আদা খুব ভালো ঘরোয়া উপাদান।
৩. নিম
নিমের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এটি ব্রণ তৈরির ব্যাকটেরিয়াগুলোর সঙ্গে লড়াই করে, মুখগহ্বরের সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে, ক্ষয় ও মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করে।
৪. মধু
মধুও আরেকটি চমৎকার অ্যান্টিবায়োটিক। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হওয়াকে ব্যাহত করে।
৫. জলপাইয়ের তেল
জলপাইয়ের তেলও ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদান। এগুলো ত্বকের সংক্রমণ কমায়।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

শীতে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার ছয় উপায়

পেট পরিষ্কার রাখতে যে পাঁচ ফল কার্যকরী