পোস্টগুলি

টক দই এর উপকারিতা

ছবি
🌟 প্রধান উপকারিতা ১. হজম ও অন্ত্র স্বাস্থ্য উন্নতি টক দই-তে থাকা “লাইভ কালচার” বা জীবন্ত ব্যাকটেরিয়ার কারণে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়, গ্যাস, ফোলাভাব ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমে । ২. প্রোবায়োটিক সুবিধা এই ভালো ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রে ইতিবাচক ফ্লোরা বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । ৩. হাড় ও দাঁতের জন্য পুষ্টিকর দইতে প্রচুর কালসিয়াম , ভিটামিন D , ফসফরাস , পোটাশিয়াম থাকে, যা হাড়কে মজবুত করে ও অস্টিওপোরোসিস (হাড় দুর্বলতা) প্রতিরোধে কার্যকর । ৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক উচ্চ প্রোটিন দেহে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরার অনুভূতি দেয়, যার ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া কম হয় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ সহজ হয় । ৫. হৃদরোগ ঝুঁকি হ্রাস দই খেলে ভাল কোলেস্টেরল (HDL) বৃদ্ধি পায়, রক্তচাপ কমে—এই ঘরোয়া গুন হার্টের জন্য উপকারী । ৬. টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোধে সহায়ক দইয়ের নিয়মিত খাওয়ার ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমে । ৭. ত্বক ও চুলের যত্নে সহায়ক দই ঘরে মুখে, স্কিন মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বক ঝলমলে হয়, দানার উপশম পায়—যেহেতু এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ল্যাকটিক অম্ল । 🛠 ট্রিকস ও পরামর্শ: সুন্দর প্রকার ...

গরমের স্বাস্থ্য সচেতনতা

ছবি
🥥 ডাবের পানি (নারকেলের পানি) প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইটে ভরপুর—শরীরকে দ্রুত হাইড্রেট করে স্বাভাবিকভাবে ক্যালরি কম, তাই গরমে আদর্শ 🍉 তরমুজ প্রায় ৯০%-এর বেশি পানি; দুর্দান্ত হাইড্রেশন স্ন্যাক্স ভিটামিন এ ও সি সমৃদ্ধ, ক্লান্তি দূর করে 🍋 লেবু পানি / শরবত ভিটামিন সি‑তে সমৃদ্ধ, হজমে সাহায্য করে শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি ক্লান্তি দূর করে 🥗 শসা‑টমেটো সালাদ হালকা ও পুষ্টিকর; পানি ও ভিটামিনে সমৃদ্ধ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর; গরমে শরীর ঠান্ডা রাখে 🍦 টক দই (দই) প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ; হজম ভালো করে ঠান্ডা ও সতেজ রাখে শরীর 🧊 গরমকালে এছাড়াও কী করণীয় মশলাদার ও ভারি খাবার এড়িয়ে চলুন প্রচুর পানি পান করুন—সাধারণ পানি, শরবত, ফলজুস ক্যাফেইন বা সোডা পানীয় কম খান—কারণ এগুলো ডিহাইড্রেট করে

স্বাস্থ্য সচেতনতা

  ১. স্বাস্থ্য সচেতনতা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: বর্ষাকালে পানিবাহিত রোগ যেমন ডায়রিয়া, টাইফয়েড, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ইত্যাদির প্রকোপ বেড়ে যায়। তাই খাবার ও পানির বিশুদ্ধতার প্রতি যত্নশীল হওয়া জরুরি। সঠিক পুষ্টি: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ খাবার (লেবু, আমলকি, কমলা ইত্যাদি) বেশি খাওয়া উচিত। ভেজা জামাকাপড় পরিহার: ভেজা জামাকাপড় পরে থাকা ঠান্ডা-কাশি বা নিউমোনিয়া ডেকে আনতে পারে। ২. বাসস্থান ও আশ্রয় জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা: ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ঘরের আশেপাশে পানি জমতে না দেওয়া জরুরি। ছাদের জলচৌকি পরিষ্কার রাখা: যাতে পানি জমে না থাকে এবং ফাংগাস না হয়। নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করা: বন্যাপ্রবণ এলাকায় বাস করলে আগে থেকেই নিরাপদ স্থানের ব্যবস্থা রাখা উচিত। ৩. যাতায়াত সতর্কতা অবলম্বন: সড়ক দুর্ঘটনা ও জলাবদ্ধতা এড়াতে সতর্কভাবে চলাফেরা করা উচিত। ছাতা বা রেইনকোট বহন: বর্ষাকালে বাইরে গেলে ছাতা বা রেইনকোট সঙ্গে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। ৪. পোশাক নির্বাচন সুতি ও হালকা কাপড়: যাতে শরীর শুষ্ক থাকে এবং ঘাম সহজে শুকিয়ে যায়। ...

অ্যাজমা অ্যাটাক কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় তার রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা এবং পদক্ষেপ

ছবি
  অ্যাজমা অ্যাটাক কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। অ্যাজমা CARE হাঁপানি এমন একটি অবস্থা যার ফলে শ্বাসনালী সরু হয়ে যায় এবং ফুলে যায়। শ্বাসনালীতে বাধার কারণে ফুসফুসে সঠিক পরিমাণ অক্সিজেন পৌঁছায় না, যার কারণে শ্বাসকষ্ট হয়। বিভিন্ন ধরনের অ্যাজমা থেকে শুরু করে  শ্বাসনালী হাঁপানি , অ্যালার্জিক হাঁপানি, অ-অ্যালার্জিক হাঁপানি, পেশাগত হাঁপানি, বা কাশি-ভেরিয়েন্ট অ্যাজমা। হাঁপানির অতিরিক্ত দুটি রূপ রয়েছে, শৈশবকালীন হাঁপানি এবং প্রাপ্তবয়স্কদের হাঁপানি। হাঁপানির উপসর্গ কি? হাঁপানি একটি প্রদাহজনক রোগ যা বাতাসে বাধা দেয় যার ফলে শ্বাস নিতে বা কিছু শারীরিক ক্রিয়াকলাপ করতে অসুবিধা হয়। শিশুদের হাঁপানির লক্ষণগুলি প্রাপ্তবয়স্কদের লক্ষণগুলির মতোই। হাঁপানির অন্যতম সাধারণ লক্ষণ  হুইজিং , শ্বাস নেওয়ার সময় তৈরি একটি শিস শব্দ। অন্যান্য লক্ষণগুলির মধ্যে কয়েকটি হল: নিঃশ্বাসের দুর্বলতা বুকে আবদ্ধতা কাশি (একটানা কাশি) অবসাদ হাঁপানির কারণ কী? অ্যাজমা হওয়ার জন্য বিভিন্ন কারণ দায়ী। এটি জেনেটিক বা বংশগত হতে পারে, যা উচ্চ প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্মে প্রেরণ করা হয়, অথবা হয়ত গুরুতর দীর্ঘস্থায়...

শীতে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার ছয় উপায়

ছবি
  শীতে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার ছয় উপায় শীতে ত্বক CARE DIAGNOSTIC CENTRE & CLINIC শীতের সময় ত্বকের আর্দ্রতা কমে যায়। এর ফলে ত্বক অনেক বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। এ ছাড়া এই আবহাওয়ায় ত্বক খসখসে এবং মলিন হয়ে পড়ে। তাই শীতের শুরু থেকেই আপনি যদি ত্বকের সঠিক যত্ন নেন তাহলে ত্বকের এই অতিরিক্ত শুষ্কতা দূর করা সম্ভব। লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে শীতের সময় ত্বকের শুষ্কতা দূর করার কিছু উপায়। শীতের দিনে স্ক্রাব করা খুবই জরুরি। এতে ত্বকের মরা কোষ থাকবে না। ত্বকের মরা কোষই ত্বককে রুক্ষ ও প্রাণহীন করে দেয়। এর ফলে ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যায়। তাই সপ্তাহে অন্তত দুবার স্ক্রাব করার চেষ্টা করুন। গোসলের পর ভেজা শরীরে বডি লোশন দিয়ে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। এতে ত্বক দীর্ঘক্ষণ নরম থাকবে। কারণ ভেজা শরীরে লোশন মাখলে ত্বকের খসখসে ভাব দূর হয় এবং ত্বক মসৃণ হয়। নিয়মিত ঠোঁটের সঠিক যত্ন নিতে হবে। না হলে ঠোঁট ফেটে যাবে। তাই প্রতিদিন ঘুমানোর আগে ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলি বা বাম লাগাতে ভুলবেন না। হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করার চেষ্টা করুন। কারণ গরম পানি শরীরের তেল নিঃসরণ স্বাভাবিক রাখে, যা ত্বককে শুষ্ক করতে দেয়...

শীতে যে পাঁচ খাবার অবশ্যই খাবেন

ছবি
শীতে যে পাঁচ খাবার অবশ্যই খাবেন CARE DIAGNOSTIC CENTRE & CLINIC সারা দেশে শীত এখন জেঁকে বসেছে। এই শীতে অনেকেই সর্দি, কাশি, জ্বরে আক্রান্ত হন। এর বাইরে শীতের বৈরী আবহাওয়া ত্বকের জন্য বয়ে আনে নানান ধরনের সমস্যা। পাশাপাশি অনেক সময় ত্বকে হতে পারে বিভিন্ন রোগও। কিছু চর্মরোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় এই সময়। সুস্থ থাকার জন্য ঋতুর এ পরিবর্তনে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের সবাইকে একটু সচেতন হতে হবে। কিন্তু শীতে অসুস্থ হওয়া ঠেকাতে পারে শীতের কিছু সবজি, যা খেলে দিব্যি তরতাজা থাকবেন আপনি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাইরে থেকে যত্নের পাশাপাশি চাই ভেতর থেকে সুস্থতা। শীতে কিছু খাবার আপনাকে সজীবতা ও সুস্থতা দেবে। জেনে নিন এই খাবারগুলো কী: স্যুপ: শীতে শরীর সুস্থ রাখতে স্যুপ বা ঝোল দারুণ উপকারী। শীতেই মেলে স্যুপের আসল মজা। ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়ায় গরম-গরম চুমুক। শীতের বিকেলে বা রাতের খাবারে ধোঁয়া ওঠা এক বাটি স্যুপ হলে কিন্তু মন্দ হয় না। এতে শরীর থেকে একটু হলেও কাটবে ঠান্ডার রেশ। শরীর সুস্থ রাখতে শীতের সময় নানা সবজি আর মুরগির মাংস বা ডিম দিয়ে বানিয়ে খেতে পারেন স্যুপ। মূলজাতীয় সবজি: শীতের রোগবালাই দূর করত...

ত্বকে ঘি কী উপকার করে এবং কেন ব্যবহার করবেন

ছবি
   ত্বকে ঘি কী উপকার করে এবং কেন ব্যবহার করবেন ঘি CARE DIAGNOSTIC CENTRE & CLINIC টামিন এ, ভিটামিন ডি ও ভিটামিন সি থাকার কারণে ঘি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা ত্বক টানটান করতে সাহায্য করে, উজ্জ্বল করে, নরম ও মসৃণ করে। এ ছাড়া এর ফ্যাটি এসিড শুষ্কতা দূর করে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। তাই ত্বকে নিয়মিত ঘি ব্যবহার করা জরুরি ত্বকে ঘি কী উপকার করে এবং কীভাবে এই উপাদান ব্যবহার করবেন, সে সম্বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে। একনজরে চোখ বুলিয়ে নিন। ত্বকের শুষ্কতা দূর করে অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বকের জন্য ঘি সবচেয়ে কার্যকর উপাদান। দুই টেবিল চামচ ঘি চুলায় গরম করে নিন। এবার রুমের তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে নিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে এই ঘি ত্বকে ম্যাসাজ করুন। পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই উপাদান শুষ্কতা দূর করে ত্বক নরম ও মসৃণ রাখে। ত্বক উজ্জ্বল করে এক টেবিল চামচ বেসনের সঙ্গে এক টেবিল চামচ ঘি ও সমান পরিমাণে দুধ মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করে এই প্যাক লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ...