টক দই এর উপকারিতা
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: বর্ষাকালে পানিবাহিত রোগ যেমন ডায়রিয়া, টাইফয়েড, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ইত্যাদির প্রকোপ বেড়ে যায়। তাই খাবার ও পানির বিশুদ্ধতার প্রতি যত্নশীল হওয়া জরুরি।
সঠিক পুষ্টি: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ খাবার (লেবু, আমলকি, কমলা ইত্যাদি) বেশি খাওয়া উচিত।
ভেজা জামাকাপড় পরিহার: ভেজা জামাকাপড় পরে থাকা ঠান্ডা-কাশি বা নিউমোনিয়া ডেকে আনতে পারে।
জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা: ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ঘরের আশেপাশে পানি জমতে না দেওয়া জরুরি।
ছাদের জলচৌকি পরিষ্কার রাখা: যাতে পানি জমে না থাকে এবং ফাংগাস না হয়।
নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করা: বন্যাপ্রবণ এলাকায় বাস করলে আগে থেকেই নিরাপদ স্থানের ব্যবস্থা রাখা উচিত।
সতর্কতা অবলম্বন: সড়ক দুর্ঘটনা ও জলাবদ্ধতা এড়াতে সতর্কভাবে চলাফেরা করা উচিত।
ছাতা বা রেইনকোট বহন: বর্ষাকালে বাইরে গেলে ছাতা বা রেইনকোট সঙ্গে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
সুতি ও হালকা কাপড়: যাতে শরীর শুষ্ক থাকে এবং ঘাম সহজে শুকিয়ে যায়।
জলরোধী জুতা: পা ভেজা থাকলে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ হতে পারে, তাই জলরোধী ও আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করা ভালো।
বর্ষাকালে অনেকেই বিষণ্ণতায় ভোগেন, বিশেষ করে যদি দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি হয়। তাই ঘরের ভেতর কিছু সৃজনশীল কাজ (পড়া, লেখালেখি, সঙ্গীতচর্চা) করতে পারেন।
বন্যা বা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সরকার বা প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলা উচিত।
সংক্ষেপে বলা যায়: বর্ষাকাল উপভোগ্য হলেও এতে কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকি ও দৈনন্দিন জীবনের বিঘ্ন ঘটে। তাই একটু সচেতন থাকলে বর্ষাকালকে নিরাপদ ও আরামদায়ক করে তোলা যায়।
চাইলে আপনি নির্দিষ্ট কোনো দিক যেমন স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষার্থী জীবন, শহর বা গ্রামাঞ্চলের প্রেক্ষাপটে জানতে পারেন – আমি বিস্তারিত জানাতে পারি।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন