টক দই এর উপকারিতা

ছবি
🌟 প্রধান উপকারিতা ১. হজম ও অন্ত্র স্বাস্থ্য উন্নতি টক দই-তে থাকা “লাইভ কালচার” বা জীবন্ত ব্যাকটেরিয়ার কারণে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়, গ্যাস, ফোলাভাব ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমে । ২. প্রোবায়োটিক সুবিধা এই ভালো ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রে ইতিবাচক ফ্লোরা বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । ৩. হাড় ও দাঁতের জন্য পুষ্টিকর দইতে প্রচুর কালসিয়াম , ভিটামিন D , ফসফরাস , পোটাশিয়াম থাকে, যা হাড়কে মজবুত করে ও অস্টিওপোরোসিস (হাড় দুর্বলতা) প্রতিরোধে কার্যকর । ৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক উচ্চ প্রোটিন দেহে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরার অনুভূতি দেয়, যার ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া কম হয় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ সহজ হয় । ৫. হৃদরোগ ঝুঁকি হ্রাস দই খেলে ভাল কোলেস্টেরল (HDL) বৃদ্ধি পায়, রক্তচাপ কমে—এই ঘরোয়া গুন হার্টের জন্য উপকারী । ৬. টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোধে সহায়ক দইয়ের নিয়মিত খাওয়ার ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমে । ৭. ত্বক ও চুলের যত্নে সহায়ক দই ঘরে মুখে, স্কিন মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বক ঝলমলে হয়, দানার উপশম পায়—যেহেতু এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ল্যাকটিক অম্ল । 🛠 ট্রিকস ও পরামর্শ: সুন্দর প্রকার ...

অ্যাজমার চিকিৎসা কী

অ্যাজমার চিকিৎসা কী

ফিচার ডেস্ক

প্রশ্ন : অ্যাজমার চিকিৎসা কীভাবে করেন?
উত্তর : চিকিৎসাকে আসলে তিনটি ভাগ করা হয়েছে। যেমন : রিলিফার, প্রিভেন্টার, প্রোটেক্টর। রিলিফার হলো সালবিউটামল। এর সাথে আরো কিছু ওষুধ রয়েছে, সেগুলো দেওয়া হয়। ইনহেলার, সালবিউটামল ইনহেলার ব্যবহার করা হলো শ্বাসকষ্ট চলে গেল।
প্রশ্ন : ইনহেলারের ক্ষেত্রে অনেকের ভয় কাজ করে । নিতে চায় না। তখন আপনারা রোগীকে কীভাবে বোঝান?
উত্তর : আমরা রোগীকে বলি সব ওষুধের মধ্যে ইনহেলার হলো প্রথম পছন্দ। সালবিউটামল চার এমজি ট্যাবলেট দেওয়া মানে, চার হাজার মাইক্রোগ্রাম ট্যাবলেট দিচ্ছি। এর বদলে যদি ইনহেলার দেই, সেটা ২০০ মাইক্রোগ্রাম। ইনহেলারে কাজ ভালো হয়। ব্রঙ্কডাইলেটর ওরাল ট্যাবলেট খায় তার পালপিটিশন (ধরফর) শুরু হবে। এমনিতেই তো অ্যাজমা রোগীদের বুক ধরফরের সমস্যা থাকে, এটা আরো বাড়ে। আমরা সবসময় তাদের ইনহেলার গ্রহণের পরামর্শ দেই। এটা হলো রিলিফার।
আরেকটি হলো প্রিভেন্টর। ইনহেল কটিকো স্টেরয়েড। এ ছাড়া ছোট্ট একটি মেশিন দিয়ে রোগী নিজেই নির্ণয় করতে পারবে সে অ্যাজমার কোন অবস্থায় আছে। গ্রিন (সবুজ) জোন, ইয়োলো (হলুদ) জোন ও রেড (লাল) জোন। সবুজ জোন মানে হলো রোগী যে ওষুধ পাচ্ছে সেটিই তার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু যেই হলুদ জোনে আসল তখন তার সতর্ক হতে হবে। আমরা এমনভাবে তাদের শিখিয়ে দেই যাতে সে যেকোনো সময় বুঝতে পারে কোন ওষুধটা বাড়াবে বা কমাবে। ফলোআপে তো মাসে মাসে আসতে হবে।
এরপর হলো লাল জোন। এই জোনে গেলে আর বাসায় থাকা যাবে না। কারণ এটি তো একিউট অ্যাটাক। দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। কারণ সেখানে অক্সিজেন লাগবে। স্টেরয়েড ইনজেকশন লাগবে, ন্যাবুলাইজেশন লাগবে।
প্রশ্ন : অ্যাজমা অ্যাটাক যেকোনো মুহূর্তে হতে পারে। তখন আসলে তাৎক্ষণিকভাবে রোগী ও তার আশপাশের মানুষের কী করণীয়?
উত্তর : অনেকে ভাবে অ্যাজমা ছোঁয়াচে রোগ। এটি কিন্তু ছোঁয়াচে রোগ নয়। এটি বংশগত হতে পারে। তবে ছোঁয়াচে রোগ নয়। অনেকে অ্যাজমা হলে বলতে চান না। এটি হলো কুসংস্কার বা ভুল ধারণা।
প্রেডনিসোলোন নামে একটি ট্যাবলেট রয়েছে পাঁচ থেকে ২০ মিলিগ্রাম, যখন রোগী বুঝতে পারছে তার একিউট অ্যাটাক হচ্ছে, সে টের পাবে। সে বুঝবে আমার অবস্থা এখনই খারাপ হয়ে যেতে পারে। তখন যদি পাঁচ থেকে ২০ মিলিগ্রাম প্রেডনিসোলোন ট্যাবলেট খেয়ে নেয়, তখন তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার পাবে।
প্রশ্ন : অ্যাজমার রোগী যারা আছে তারা কি সবসময় এই ওষুধটা সাথে রাখবে?
উত্তর : প্রেডনিসোলোন স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ তো এগুলো সবসময় খেতে নেই। এগুলো সাধারণ ওষুধ নয় আবার  সাধারণও। যিনি জানে লাল জোনে আছেন, তিনিই সাথে রাখবেন এই ওষুধ।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

শীতে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার ছয় উপায়

পেট পরিষ্কার রাখতে যে পাঁচ ফল কার্যকরী

অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে যেসব প্রাকৃতিক উপাদান