টক দই এর উপকারিতা

ছবি
🌟 প্রধান উপকারিতা ১. হজম ও অন্ত্র স্বাস্থ্য উন্নতি টক দই-তে থাকা “লাইভ কালচার” বা জীবন্ত ব্যাকটেরিয়ার কারণে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়, গ্যাস, ফোলাভাব ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমে । ২. প্রোবায়োটিক সুবিধা এই ভালো ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রে ইতিবাচক ফ্লোরা বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । ৩. হাড় ও দাঁতের জন্য পুষ্টিকর দইতে প্রচুর কালসিয়াম , ভিটামিন D , ফসফরাস , পোটাশিয়াম থাকে, যা হাড়কে মজবুত করে ও অস্টিওপোরোসিস (হাড় দুর্বলতা) প্রতিরোধে কার্যকর । ৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক উচ্চ প্রোটিন দেহে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরার অনুভূতি দেয়, যার ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া কম হয় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ সহজ হয় । ৫. হৃদরোগ ঝুঁকি হ্রাস দই খেলে ভাল কোলেস্টেরল (HDL) বৃদ্ধি পায়, রক্তচাপ কমে—এই ঘরোয়া গুন হার্টের জন্য উপকারী । ৬. টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোধে সহায়ক দইয়ের নিয়মিত খাওয়ার ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমে । ৭. ত্বক ও চুলের যত্নে সহায়ক দই ঘরে মুখে, স্কিন মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বক ঝলমলে হয়, দানার উপশম পায়—যেহেতু এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ল্যাকটিক অম্ল । 🛠 ট্রিকস ও পরামর্শ: সুন্দর প্রকার ...

শীতে শিশুর নিউমোনিয়া, লক্ষণ কী

শীতে শিশুর নিউমোনিয়া, লক্ষণ কী
এই শীতে ঠান্ডাজনিত কারণে অনেক বাচ্চাই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে। তাই আগে থেকে প্রস্তুতি নিলে, অর্থাৎ নিউমোনিয়ার লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়গুলো জানা থাকলে আপনার সন্তানকেও এই রোগ থেকে মুক্ত রাখতে পারবেন।
নিউমোনিয়ার লক্ষণ
* কাশি, শ্বাসকষ্ট, জ্বর
* দ্রুত নিশ্বাস
* পাঁজরের নিচের অংশ ভেতরের দিকে দেবে যাওয়া।
ওপরের লক্ষণগুলো ছাড়াও শিশু খেতে না পারলে, বুকের ভেতর শব্দ হলে, শিশু নিস্তেজ হয়ে গেলে এবং খিঁচুনি হলে বুঝতে হবে শিশুটি মারাত্মক নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। এ ক্ষেত্রে শিশুকে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতালে নিতে হবে। কাশির মাত্রা বেশি হলে চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, সব সর্দি-কাশি নিউমোনিয়া নয় এবং অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো প্রয়োজন নেই।
শ্বাসকষ্ট বোঝার উপায়
দুই মাসের কম বয়সী শিশুদের শ্বাস নেওয়ার হার মিনিটে ৬০ বারের বেশি, দুই মাস থেকে ১২ মাস বয়সী শিশুদের মিনিটে ৫০ বারের বেশি এবং ১২ মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুর মিনিটে ৪০ বারের বেশি শ্বাস-প্রশ্বাস নিলে তাকে শ্বাসকষ্ট বলা হয়। এর সঙ্গে শিশুর বুকের পাঁজরের নিচের অংশ দেবে গেলে, সেটি নিউমোনিয়ার লক্ষণ।
কখন হাসপাতালে নেবেন
যদি এমন হয়, শিশু বুকের দুধ, পানি বা কিছুই খায় না, সবকিছুই বমি করে দেয় (দু-একবার বমি করলে ভয়ের কিছু নেই)। শিশু অজ্ঞান হয়ে গেলে, খিঁচুনি হলে।
নিউমোনিয়া প্রতিরোধের উপায়
যেকোনো রোগের মতো নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করাটাও বেশি জরুরি। এতে শিশুর কষ্ট লাঘব হবে। শিশুর নিউমোনিয়া প্রতিরোধে সবার আগে বুকের দুধ খাওয়ানো নিশ্চিত করতে হবে। জন্মের পর এক ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে শালদুধ দিন এবং ছয় মাস পর্যন্ত শুধু বুকের দুধ পান করান।
* বারবার হাত ধোবেন, বিশেষ করে শিশুকে কোলে নেওয়ার আগে।
* ঘরে, বিশেষ করে শিশুর সামনে ধূমপান করবেন না।
* রান্নাঘর ও শোয়ার ঘরের দরজা-জানালা খুলে রাখুন, যাতে করে রান্নার ধোঁয়া ঘরে আটকে না থাকে।
* এক বছরের মধ্যে সময়মতো শিশু সব টিকা, বিশেষ করে নিউমোনিয়ার টিকা দিন।
লেখক : রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

শীতে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার ছয় উপায়

পেট পরিষ্কার রাখতে যে পাঁচ ফল কার্যকরী

অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে যেসব প্রাকৃতিক উপাদান